1. admin@prothomctg.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৩১ অপরাহ্ন

ব্যাংকের টাকা হাতিয়ে শিল্পপতি লাপাত্তা, ১০০ কোটি টাকার অর্থদন্ডাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ১২ বার পঠিত

পুরাতন জাহাজের স্ক্রাপ আমদানীর নামে প্রায় ৯২ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দূদক)’র দায়ের হওয়া মামলায় এক শিল্পপতিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে আদালত তাকে ১০০ কোটি টাকা অর্থদন্ডাদেশ দিয়েছেন।পাশাপাশি এছাড়া পৃথক ধারায় আরও ৫ বছরের কারাদন্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। দন্ডিত মজিবুর রহমান মিলন জাহাজ ভাঙা কারখানা মুহিব স্টিল এন্ড শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রির মালিক। তার বাড়ি ফেনী জেলায় হলেও চট্টগ্রাম নগরীতে তার বাসা হালিশহরে। তবে মজিবুর এখন পলাতক আছেন। সোমবার (২২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আব্দুল মজিদ এ রায় দিয়েছেন বলে দুদকের পিপি কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু জানিয়েছেন।

আদালতে মামলার সূত্রে জানা গেছে, স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানির জন্য ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের লালদিঘীর পাড় শাখা থেকে মজিবুর রহমান মিলনের নামে ৪৫ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করা হয়। ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল সেই ঋণসীমা ৮৯ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। ওই বছরের ৭ মে মজিবুর ৪০ কোটি টাকার ঋণপত্র খোলেন। মজিবুর কোরিয়া থেকে ১২ হাজার ৪৩৩ মেট্রিকটনের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করেন, যা ২০১১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই জাহাজের দাম হিসেবে ৪৮ কোটি ৫৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৪ টাকাসহ তিন দফায় ৮২ কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ৪৪ টাকা নীট ঋণ মজিবুরের প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, কিছু অর্থ পরিশোধের পর ২০১৭ সালের ৩০ মে পর্যন্ত মজিবুরের কাছ থেকে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ৯১ কোটি ৯২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯২ টাকা। মজিবুর অর্থ পরিশোধ না করে লাপাত্তা হয়ে যান, এমনকি তার পরিবারের সদস্যরাও গা-ঢাকা দেন। এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের পর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক জাফর আহমেদ বাদি হয়ে ২০১৮ সালের ২৪ মে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারি পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে দুদক আইনের সিডিউলভুক্ত অপরাধ দন্ডবিধির ৪০৯ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

পিপি কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু জানান, ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আদালত দন্ডবিধির ৪০৯ ধারায় আসামি মজিবুর রহমান মিলনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০০ কোটি টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়া দন্ডবিধির ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন। আদালত পলাতক মজিবুর রহমান মিলনের বিরুদ্ধে সাজামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানান দুদক পিপি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৬ প্রথম চট্টগ্রাম। @ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park