1. admin@prothomctg.com : admin :
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:২৭ অপরাহ্ন

জিম্মি অবস্থায় হামাস যোদ্ধাদের প্রেমে পড়ার গুঞ্জন ইসরায়েলি তরুণীর

প্রথম চট্টগ্রাম ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭ বার পঠিত

অবরুদ্ধ গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির তৃতীয় দিনে গতকাল রোববার তৃতীয় দফায় ১৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তৃতীয় দফায় মুক্তি পাওয়া জিম্মিদের মাঝে ছিলেন ২১ বছর বয়সী ইসরায়েলি তরুণী মায়া রিগেভ।

জিম্মি অবস্থা থেকে তৃতীয় দফায় মুক্তি দেওয়া ইসরায়েলিদের একাধিক ফুটেজ প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। এসব ভিডিওতে ক্রাচে ভর দিয়ে রেড ক্রসের গাড়ির দিকে এগিয়ে যাওয়া মায়া রিগেভ অনেকের দৃষ্টি কেড়েছেন। বিশেষ করে, মুক্তির সময়টিতে হামাস যোদ্ধাদের কাছ থেকে তাঁর বিদায় নেওয়ার মুহূর্তটি নিয়ে এখন অনেকেই আলোচনা করছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়- ক্রাচে ভর দিয়ে এগিয়ে চলা মায়াকে রেড ক্রসের গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন হামাস যোদ্ধা। গাড়িতে ওঠার পর হামাস যোদ্ধাদের কাছ থেকে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে বিদায় নেন মায়া। হামাস যোদ্ধাদের একজন তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘বিদায়, মায়া।’

জবাবে মায়া বলেন, ‘বিদায়, ধন্যবাদ আপনাকে।’

এদিকে মায়ার বিদায়ের মুহূর্তটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বিশেষ করে অ্যাক্সে (সাবেক টুইটার) নানা আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। এসব আলোচনায় অনেকে দাবি করেছেন, হামাস যোদ্ধাদের কাছেই থেকে যেতে চাইছিলেন মায়া। মুক্তির মুহূর্তে মায়ার একটি ছবি অ্যাক্সে পোস্ট করে খালিসি নামে এক নারী লিখেছেন-‘তিনি যেতে চাইছেন না।’

খালিসির ওই টুইটটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গতকাল রোববার ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ওই পোস্টটি ১৬ লাখ মানুষ দেখেছেন। পোস্টটিতে লাভ রিয়েক্ট করেছেন ৩১ হাজারের বেশি মানুষ। সাড়ে ছয় হাজারের বেশি শেয়ারের পাশাপাশি এতে কমেন্ট করা মানুষের সংখ্যা এগারো শ ছাড়িয়ে গেছে। বেশির ভাগ মন্তব্য আদি-রসাত্মক। মায়ার আচরণে হামাস যোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা দেখেছেন অনেকেই।

পোস্টটির নিচে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘মনে হচ্ছে, তিনি প্রেমে পড়ে গেছেন।’

মরিয়ম নামে একজন লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিনের মানুষেরা সত্যিই দারুণ।’

তবে আরেকজন মন্তব্য করেছেন- হামাসের যোদ্ধারা তাঁকে বোনের মতো যত্ন নিয়েছে।

জাদি আলী নামে একজন লিখেছেন, ‘বাজি ধরে বলতে পারি, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মুক্তি পাওয়া অনেক জিম্মি আবারও গাজায় আসবেন এখানকার মানুষদের দেখার জন্য। তারা গাজাবাসীর মানবাধিকারের দাবিতে সোচ্চার হবেন।’

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ২১ বছর বয়সী মায়াকে গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের মরুভূমিতে অনুষ্ঠিত সুপারনোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল থেকে অপহরণ করেছিল হামাস যোদ্ধারা। মুক্তির পরপরই পায়ে অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁকে ইসরায়েলের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও জানা গেছে, মায়াকে মুক্তি দেওয়া হলেও তাঁর ১৮ বছর বয়সী ছোট ভাই এখনো হামাস যোদ্ধাদের কাছে জিম্মি অবস্থায় আছেন। তাঁকে সুপারনোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৬ প্রথম চট্টগ্রাম। @ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park