1. admin@prothomctg.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

ফল নাকি ফলের জুস খাওয়া উচিত?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৫ বার পঠিত

সব বয়সিদেরই নিয়মিত ফল খেতে হবে। কারণ, ফলে রয়েছে একাধিক পুষ্টিগুণ। এতে আছে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। তবে আস্ত ফল নাকি ফলের রস? কোনটা খাওয়া শরীরের পক্ষে বেশি উপকারী? এমন প্রশ্ন অনেকের মাথায়ই ঘুরপাক খায়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফল রস করে খেলে এর অনেকটা গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এমনকী ফলের ফাইবারের উপকারও পাওয়া যায় না। তাই জুস করে ফল না খাওয়াই মঙ্গল। আস্ত ফল খেলে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে। এর থেকে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি মিটে যায় ও নানা ধরনের রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি মেলে বলে।

ডায়াবেটিস থাকলে কি ফলের রস খেতে নেই?​
ডায়াবেটিস রোগীদের সমস্যার শেষ নেই। তাদের প্রায় সব মুখোরোচক খাবারেই বারণ থাকে। ডায়াবেটিস রোগীদের হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত ফল খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হয়। কারণ এই ধরনের ফল খেলে রক্তে চটজলদি সুগার বাড়ে। এই তালিকায় লিচু, কাঁঠাল, সবেদাসহ একাধিক ফল রয়েছে। তাই এই ধরনের ফল বা ফলের রস কোনোটাই খাওয়া যাবে না। তবে যেই সকল ফলের জিআই (গ্লাইসেমিক ইনডেক্স) কম তার রস খাওয়াই যায়। এক্ষেত্রে পেয়ারা, আপেলের মতো একাধিক ফল রয়েছে যার জিআই কম। এই ধরনের ফল বা ফলের রস খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের কোনো সমস্যা হয় না।

ছোটদের ফলের রসে চিনি নয়​
ছোটদের ফল খাওয়াতেই হবে। তবে সবসময় তারা আস্ত ফল খেতে চায় না। তাই তাদের ফলের রস খাওয়ানোটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তাজা ফলের রস খাওয়ালে ছোটরা হেসেখেলে খেয়ে নেয়। তবে সন্তানের জন্য রস তৈরি করার সময় তাতে অধিক পরিমাণে মিষ্টি মেশাবেন না। এর থেকে সন্তানের সুগার বাড়তে পারে এবং ওজন বৃদ্ধিও সম্ভব। অতিরিক্ত চিনি খেলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। তাই ছোটেদের যতটা সম্ভব চিনির করাল গ্রাস থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

কারা ফল বা ফলের রস খাবেন না?​
শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা খুব বেশি থাকলে ফল খাওয়া উচিত নয়। এক্ষেত্রে কিডনির অসুখে আক্রান্তদেরই মূলত এই ধরনের সমস্যায় ভুগতে হয়। এছাড়া ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে আক্রান্তদেরও কিছু কিছু ফল থেকে দূরে থাকতে হতে পারে। এছাড়া মোটামুটি সকলেই প্রায় ফল খেতে পারেন। এতে তেমন কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। খালি পেটে বা ভরা পেটে ফল খাওয়া যাবে না। বরং দুটি মিলের মাঝে ফল খান। অর্থাৎ ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের মাঝে বা লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝে খেতে হবে। এতেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৬ প্রথম চট্টগ্রাম। @ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park