1. admin@prothomctg.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:০০ অপরাহ্ন

অপারেশনের জন্য অচেতনের পর রোগির জ্ঞান ফিরেনি তিন দিনেও!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৩৭ বার পঠিত

লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে-

চট্টগ্রামের এক নারীর জরায়ু অপারেশনের জন্য এনেসথেসিয়া প্রয়োগে অচেতন করার পর আর জ্ঞান ফিরেনি গত পাঁচ দিনেও। লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে সখিনা খাতুন (৬৫) নামের নারীকে অপারেশন কানিজ নাসিমা আক্তার নামক এক চিকিৎসক। এরপর থেকে তার আর জ্ঞান ফিরেনি। বর্তমানে তাকে চট্টগ্রাম মহানগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, পাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনবিজ্ঞ ব্যক্তিদ্বারা এনেসথেসিয়া প্রয়োগের কারণে আজ তার এই মৃত্যু দশা।

জ্ঞান না ফেরা সখিনা খাতুন লোহাগাড়ার বড় হাতিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

যদিও এই বিষয়ে জরায়ু অপারেশন টীমের চীফ ডা. কানিজ নাসিমা আক্তার ও এনেসথেসিয়া প্রয়োগকারী ডা. আক্কাসের সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেও কোনো বক্তব্য মিলেনি।

তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সরওয়ার বলেন, ডা. কানিজ নাসিমা আক্তার অনেক ভালো ডাক্তার। তার অনেকগুলো ডিগ্রি আছে। আর এনেসথেসিয়া দেওয়া ডা. আক্কাসও এখানে নাম করা। তার ভুল হওয়ার কথা না। কি কারণে এই রোগীর জ্ঞান ফিরছে না আল্লাহ জানে। এখানে চিকিৎসা বা অপারেশনে কোনো ক্রটি ছিল না।

রোগীর ছেলে খোরশেদ আলম জানান, জরায়ু অপারেশনের জন্য তার মাকে ডা. কানিজ নাসিমা আক্তারের অধীনে গত শুক্রবার সকালে লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন দুপুর দেড়টার সময় তাকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটিতে) নিয়ে যায়। এই সময় রোগীর শারীরিক-মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ্য ছিলেন। তবে অপারেশনের পর যখন শনিবার ভোরেও জ্ঞান ফিরেনি, তখনই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। এক পর্যায়ের সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কৌশলে একজন লোক দিয়ে হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স দিয়েই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। এখানে রোগীকে চমেক হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। সেখানে রোগীর পরিস্থিতি উন্নতি না হলে চমেক হাসপাতালের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডেও জ্ঞান না ফিরলে রোববার নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় এই রিপোর্ট লিকা পর্যন্ত রোগীর জ্ঞান ফিরেনি বলে তিনি জানান।

খোরশেদ আলম বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাপাসালের জরুরী বিভাগে তার মাকে (রোগীকে) রেখেই লোহাগাড়া সিটি হাসপাতাল থেকে আসা লোকটি পালিয়ে যায়। এরপর হাসপাতালে বারবার যোগাযোগ করার পরও তারা কোনো কর্ণপাত করেননি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৬ প্রথম চট্টগ্রাম। @ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park