1. admin@prothomctg.com : admin :
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

অর্থ সংকটে অলিম্পিক বাছাই খেলা হচ্ছে না; সাবিনারা কেন বঞ্চিত হবেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
  • ১৭ বার পঠিত

অর্থ সংকটে সাবিনা খাতুনদের খেলা হচ্ছে না আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক গেমস নারী ফুটবলের বাছাই পর্ব। অথচ মাত্র ছয় মাস আগেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে নেপাল থেকে ঢাকায় ফিরেছেন তারা। এরপর আর কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচই খেলতে পারেননি সাবিনারা।

যদিও এপ্রিলে মিয়ানমারে অলিম্পিক গেমস বাছাই খেলার কথা ছিল তাদের। তবে অর্থ সংকট দেখিয়ে তা বাতিল করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। যদিও ফিফা এবং এএফসি থেকে নিয়মিতই অনুদান পাচ্ছে তারা। এর সঙ্গে স্থানীয় পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি বরাদ্দ তো আছেন। তবে কেন সাবিনারা বঞ্চিত হবেন অলিম্পিকের মতো সর্বোচ্চ আসরের বাছাই খেলতে? এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের ফুটবলবোদ্ধাদের মনে। তাদের ধারণা, সরকারের কাছে নিজেদের আর্থিক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাফুফে কৃত্রিম অর্থ সংকট তৈরি করেছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নেপাল থেকে সাফ জিতে দেশে ফেরার পর স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলকে সংবর্ধনা দিয়েছে। জানা গেছে, দেশের একটি শীর্ষ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সাফজয়ী নারী দলের উন্নয়নের জন্য বাফুফের তহবিলে এক কোটি টাকা দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বাফুফে বিশেষভাবে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছিল। তারপরও বিভিন্ন সময়ে অর্থ সংকটের দোহাই দেয় দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটি। বাফুফের মার্কেটিং কমিটি না থাকলেও মার্কেটিং বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগে কয়েকজন এক্সিকিউটিভ রয়েছেন। তারা মাসে মাসে বেতন-ভাতা নিয়েও বাফুফের জন্য পৃষ্ঠপোষক আনতে পারছে না। যার বলি হচ্ছেন নারী ফুটবলাররা।

দক্ষিণ এশিয়ার গন্ডি পেরিয়ে যাদের এশিয়ান পর্যায়ে খেলার কথা তারা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে খেলার বাইরে। যে কারণে নারী ফুটবলাররাও এখন খানিকটা ক্ষুব্ধ। এদিকে কৃত্রিম অর্থ সংকট তৈরী করে নারী দলকে মিয়ানমারে না পাঠিয়ে তার দায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) উপর চাপানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে যাওয়ার জন্য মাত্র চারদিন আগে বাফুফে থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয় এনএসসিতে। এই ক’দিনে কিভাবে কি করবে এই প্রতিষ্ঠানটি।

অথচ আমরা ফি বছর চিঠি দিয়ে প্রত্যেকটি ক্রীড়া ফেডারেশনকে বাৎষরিক বাজেট দিতে বলি। যার প্রেক্ষিতে অর্থ ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে। তখন বাফুফে থেকে মিয়ানমারের এই সফরের কথা বলা হয়নি আমাদের।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৬ প্রথম চট্টগ্রাম। @ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park